লিটনের ধীরে খেলার চেষ্টা পছন্দ হয়নি তামিমের


লক্ষ্যটা ছিল মাত্র ১২৫ রানের। শ্রীলঙ্কার দেয়া এই রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে খেলতে হয়েছে ১৯ ওভার পর্যন্ত। এক সময় তো হারের শঙ্কাও জেগেছিল। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় টাইগাররা। এই রান তাড়ায় লিটন দাসের ৩৮ বলে ৩৬ রানের ইনিংসকে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন অনেকেই। কঠিন সময়ে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন লিটন। তবে তার ইনিংসটি পছন্দ হয়নি তামিম ইকবালের।

ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার ১২৪ রানই বাংলাদেশের জন্য পাহাড় সমান হয়ে উঠেছিল মাত্র ২৮ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর। সেখান থেকে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ৩৮ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচটা বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় এনে দেন তারা। তাওহীদ হৃদয় মাত্র ২০ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলার পথে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে টানা তিন বলে ৩ ছক্কা মারেন।

তবে লিটন দাস খেলেছেন ঢিমেতালে। দলীয় ৯৯ রানে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। তার আগে ৩৮ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে স্বভাববিরুদ্ধ ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন। লিটনের এমন ধিরগতির ইনিংস পছন্দ হয়নি তামিম ইকবালের। লিটনের আরও আক্রমনাত্মক খেলা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। দ্রুত উইকেট পড়লেও পাওয়ার প্লের সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্রুত রান তুলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে ম্যাচ নিজেদের দখলে নিয়ে আসা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

ক্রিকইনফোর এক শোয়ে তামিম বলেন, ‘আমাদের একটা সুযোগ (আক্রমণাত্মক খেলার) ছিল। হ্যাঁ, শুরুতেই আমাদের এক-দুইটা উইকেট পড়েছে, এরপরও লিটনের সুযোগ ছিল আরেকটু আক্রমণাত্মক খেলার। ও খুবই নিরাপদে খেলেছে, এটা আমি উপভোগ করিনি। শুধু একজন ব্যাটসম্যানের কথা বলছি না, পুরো দলের কথা বলছি।’

শুধু লিটনের ব্যাটিংই নয়, বাংলাদেশ যেভাবে রান তাড়া করেছে তাও পছন্দ হয়নি তামিমের, ‘বাংলাদেশ যেভাবে রান তাড়া করেছে, সেটা আমি উপভোগ করিনি। উইকেটের বিষয়ে কথা বলছি না। টি-টোয়েন্টিতে ১২০-১২৫ রান খুবই জটিল একটা স্কোর। এই রান তাড়া করার সবচেয়ে ভালো কৌশল হচ্ছে শীর্ষ তিন থেকে কারও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করা। প্রথম ৬ ওভারে দ্রুত রান তুলতে পারলে এটি সহজ হয়ে যায়। তাতে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা রান রেটের চাপে পড়বে না।’

তবে তামিমের কণ্ঠে প্রশংসা ঝরেছে তাওহীদ হৃদয়ের জন্য। তার সাহসী ব্যাটিংই বাংলাদেশকে জয়ের পরিস্থিতি এনে দিয়েছেন বলে মনে করেন তিনি, ‘অনেক কৃতিত্ব তাওহিদ হৃদয়কে দিতে হবে। ওর ২০ বলে ৪০ রানের ইনিংস দেখলে মনে হয় ও-ই (জয়ের) পরিস্থিতি তৈরি করে দিয়েছে।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *